ইংল্যান্ডের (India vs England) বিরুদ্ধে ম্য়াঞ্চেস্টার টেস্টে লড়াই করে ম্যাচ ড্র করেছে ভারতীয় দল। শুভমন গিল, রবীন্দ্র জাডেজা ও ওয়াশিংটন সুন্দর দুরন্ত সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছেন। দ্বিতীয় ইনিংসে পঞ্চম দিনে হাতে আট উইকেট নিয়ে গোটা দিনে ক্রিজে লড়াই করেছেন এই তিন ব্যাটার। আর তাতেই বিরক্তি বেড়েছে ইংল্যান্ডের। তবে ম্য়াচের সবচেয়ে রোমাঞ্চকর মুহূর্ত তৈরি হয় একেবারে শেষের ৩০ মিনিটে।
ক্রিজে ৯০ রানে ব্যাটিং করছিলেন রবীন্দ্র জাডেজা। আশির ঘরে ছিলেন ওয়াশিংটন সুন্দর। কিন্তু সেই সময় আচমকাই বেন স্টোকস সহ ইংল্যান্ডের ক্রিকেটাররা বারবার দুই ভারতীয় ব্য়াটারকে হ্যান্ডশেক করার জন্য ও খেলা শেষ করার জন্য আর্জি জানাতে থাকেন। কিন্তু তাতে রাজি হননি জাডেজা ও সুন্দর কেউই। কারণ দুজনেই শতরানের একেবারে কাছে ছিলেন। তাই শতরান মিস করতে চাননি কেউই। এরপর দুজনেই শতরান পূরণ করেন।
কিন্তু তার পরে যা হয়, তা সোশ্য়াল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়ার পর অনেকেই ইংল্যান্ড অধিনায়কের স্পোর্টসম্য়ান স্পিরিট নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। কারণ খেলার শেষে যখন দু দলের ক্রিকেটাররা হাত মেলান, তখন স্টোকস জেনে বুঝেই জাডেজাকে এড়িয়ে গিয়েছিলেন।ভারতীয় ক্রিকেট দলের কোচ গৌতম গম্ভীর বলেন, ”আমার মনে হয় এখানে জাডেজা ও সুন্দর কেউই কোনও ভুল করেননি। দুজনেই শতরানের এত কাছে ছিল।
তাছাড়া দুজনেই এতদূর পর্যন্ত লড়াই করেছিলেন। তাহলে কেন শতরান মিস করবে ওরা। এটাই যদি ইংল্যান্ডের কোনও দুজন ব্যাটার শতরানের ধারে কাছে ব্যাটিং করত, তাহলে ওঁরাও কি ছেড়ে দিত? ইংল্যান্ডের প্লেয়াররা কে, কী ভাবছে, তা নিয়ে বেশি ভাবার কোনও কারণ নেই আমাদের। প্রাপ্য শতরান পেয়েছে ওঁরা।”এই বিষয়ে দুই ক্রিকেটারের পাশে দাঁড়িয়েছেন ভারত অধিনায়ক শুভমন গিলও। তিনি বলছেন, ”জাডেজা ও সুন্দর দারুণ ব্যাটিং করেছিল। দুইজনেই নব্বইয়ের ঘরে (আদপে রবীন্দ্র জাডেজা ৮৯ রান ও সুন্দরের তখন সংগ্রহ ছিল ৮০ রান) ব্যাট করছিল। সিদ্ধান্তটা ওদেরই ছিল।
আমাদের মনে হয়েছিল যে ওরা যেভাবে ব্যাট করেছে, তারপর শতরানটা ওদের প্রাপ্য ছিল।”সেই সময় আচমকাই বেন স্টোকস সহ ইংল্যান্ডের ক্রিকেটাররা বারবার দুই ভারতীয় ব্য়াটারকে হ্যান্ডশেক করার জন্য ও খেলা শেষ করার জন্য আর্জি জানাতে থাকেন।জিথিন, আজারেই ও আলবিয়াখ (নর্থইস্ট ইউনাইটেড এফসি – ২০২৪-২৫)মোট গোল অবদান: ৪৪জিথিন এমএস – ২ গোল | ৫ অ্যাসিস্টআলাদিন আজারেই – ২৩ গোল | ৭ অ্যাসিস্টনেস্টর আলবিয়াখ – ৬ গোল |
১ অ্যাসিস্টডুরান্ড কাপ জিতে আত্মবিশ্বাস নিয়েই মরশুম শুরু করেছিল নর্থইস্ট ইউনাইটেড এফসি। সেই গতি ধরে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে তাদের আক্রমণ বিভাগের ত্রয়ী — জিথিন এমএস, আলাদিন আজারেই এবং নেস্টর আলবিয়াখ। এই ত্রয়ী একসঙ্গে তৈরি করেন আইএসএলের সাম্প্রতিক ইতিহাসের অন্যতম রোমাঞ্চকর আক্রমণ বিভাগ, যেখানে ছিল গতি, কৌশল এবং নিখুঁত ফিনিশিং-এর দুর্দান্ত মিশেল। জ্যাকিচাঁদ সিং – ৪ গোল |
