মাত্র ১৪ বছর বয়সেই গান গেয়ে রিয়েলিটি শোয়ের মঞ্চ কাঁপান শ্রেয়া ঘোষাল, ভাইরাল পুরনো ভিডিও

লিউড থেকে বলিউড সঙ্গীত জগত যে বাঙালি কন্যার কন্ঠে মুগ্ধ তিনি শ্রেয়া ঘোষাল ছাড়া আর কেউ নন। সংগীত জগতে শ্রেয়া ঘোষালের অবদান কতখানি, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। আট থেকে আশি সবাই পছন্দ করেন শ্রেয়া ঘোষালের গান শুনতে। বাংলা থেকে হিন্দি তাঁর গাওয়া একাধিক জনপ্রিয় গান শ্রোতাদের মুগ্ধ করেছে।

ভারতীয় গায়িকাদের মধ্যে অন্যতম শ্রেয়া ঘোষাল (Shreya Ghoshal)। যার সুরের জাদুতে সুখ-দুঃখ, আনন্দ, ব্যথা-বেদনা সব একসাথে ফুটে ওঠে। লতা মঙ্গেশকরের উত্তরসূরী বলে তাকে আখ্যা দিলেও যেন কম হবে! তার গলায় স্বয়ং সরস্বতী বাস করছে। ইতিমধ্যেই ১১ টি ভাষায় প্রায় ২৪০০ টিরও বেশি গান গেয়েছেন শ্রেয়া ঘোষাল। মাত্র ৩৮ বছর বয়সেই জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার থেকে শুরু করে, ফিল্ম ফেয়ার পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন তিনি।অনেকেই এই অসাধারণ সুর সম্রাজ্ঞী শ্রেয়া ঘোষালের অতীত সম্পর্কে জানতে আগ্রহী।

কিছুদিন আগেই সোশ্যাল মিডিয়ার পাতায় তার ছোট্টবেলার এক ভিডিও ভাইরাল (viral) হয়েছে, যেখানে তাকে দেখা গেছে সারেগামাপার মঞ্চে। তখন শ্রেয়া ঘোষাল ছিলেন ১৪ বছর বয়সের কিশোরী, সেইসময় রিয়েলিটি শো-এর মঞ্চে দাঁড়িয়ে তার গাওয়া গান বেশ ভাইরাল হয়েছে দুনিয়ারপাতায়।ভাইরাল হওয়া ঐ ভিডিওতে গলায় শোনা গেছে রাজস্থানী ফোক সং। ওই বয়সেই তার অসাধারণ কণ্ঠস্বর ও স্পষ্ট উচ্চারণে মন কেড়েছে অনুরাগীদের। দেখুন সেই ভিডিও :

https://youtu.be/Rfd60Gr_7lQ

গান শুনে সেই সময় বিচারক ‘সোনু নিগাম’ জিজ্ঞাসা করেছিলেন, একজন বাঙালি হওয়া সত্ত্বেও, “শ্রেয়া কিভাবে এত সুন্দর রাজস্থানী গান গাইলেন”! উত্তরে অবশ্য তিনি জানিয়েছিলেন , দেশের প্রতিটি ভাষাকেই তিনি খুব ভালোবাসেন। বাবার কর্মক্ষেত্রে তিনি অনেকদিন রাজস্থানে ছিলেন, তাই সেখানকার ভাষাটা খুব ভালোভাবেই শিখে গিয়েছেন। এছাড়া ওই মঞ্চেই কিশোরী শ্রেয়ার বিচারকের আসনে ঊষা খান্না, সাবির কুমারের মতো সংগীত শিল্পীদের দেখা মিলেছিল।

বাঙালি হওয়ার দরুন দুপুরে মাছ থাকেই শ্রেয়ার পাতে। দুপুরে তিন থেকে চারটে রুটির সঙ্গে তরকারি, মাছ এবং স্যালাড খান গায়িকা। তবে রুটির বদলে প্রায়শই ডাল-ভাত, মাছ খান তিনি। কলকাতায় গায়িকাকে প্রায়ই কনসার্ট বা গানের রেকর্ডিংয়ের কাজে আসতে হয়। সেই সময় তিনি রসগোল্লা ও নলেন গুড়ের আইসক্রীম খান চুটিয়ে। ডায়েটের চিন্তা সেই সময় একেবারেই মাথা থেকে উড়িয়ে দেন।