ভারত ম্যাচের সকালে ঘুমিয়ে যাওয়ায় ম্যাচ খেলে নি বাংলাদেশের বোলার,’ভারতকে একাই হারাতেন’

সদ্য সমাপ্ত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সুপার এইটেই ছিটকে গিয়েছে বাংলাদেশ। ভারতের কাছে ৫০ রানের বিশাল ব্যবধানের হারে এমনিতেই ব্যাকফুটে ছিল বাংলাদেশ। শেষ ম্যাচে কঠিন অঙ্কের সামনে ছিল তারা। যদিও সেই অঙ্ক দূর অস্ত, আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে জিততেই পারেনি বাংলাদেশ। তবে ভারতের কাছে ৫০ রানে হারেই বেশি বেদনা বাংলাদেশ শিবিরে। প্রথমে ব্যাট করে ৫ উইকেটে ১৯৬ রান তুলেছিল ভারত।

হার্দিক পান্ডিয়া অপরাজিত হাফসেঞ্চুরি করেছিলেন। জবাবে বাংলাদেশ ৮ উইকেটে ১৪৬ রান করেছিল। ম্যাচ শেষে বাংলাদেশ অধিনায়ক নাজুমল হোসেন শান্ত জানিয়েছিলেন, ১৬০-১৭০ টার্গেট হলে জিততে পারতেন। মজার বিষয়, সেই ম্যাচে খেলানো হয়নি সহ-অধিনায়ক তাসকিন আহমেদকে। তিনি থাকলে কি পার্থক্য হত?

তাসকিনের পরিবর্তে ভারতের বিরুদ্ধে খেলেছিলেন জাকির আলি। ‘অতিরিক্ত ঘুমের কারণে’ কারণে তাসকিন সেই ম্যাচে টিম বাস মিস করেছিলেন। সে কারণেই তাঁকে খেলানো কঠিন ছিল বলে বাংলাদেশ টিমের অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান জানিয়েছিলেন। মঙ্গলবার সাকিব বলেন, ‘টিম বাস একটা নির্দিষ্ট সময়ে ছাড়ে। সেই টাইমের পর কারও জন্য অপেক্ষা করা হবে না, এটাই নিয়ম।

কেউ যদি টিম বাস মিস করে সেক্ষেত্রে ম্যানেজারের গাড়ি কিংবা ট্যাক্সিতে আসতেই পারেন। ওয়েস্ট ইন্ডিজের পরিবহণ ব্যবস্থা একটা সমস্যা। টসের ৫-১০ মিনিট আগে পৌঁছেছিল তাসকিন। সে কারণেই ওকে খেলা কঠিন ছিল। টিম ম্যানেজমেন্ট সেই সিদ্ধান্তই নিয়েছিল।’ বাংলাদেশের সহ অধিনায়ক তাসকিন আহমেদ সেই ঘটনায় ক্ষমা চেয়ে নিয়েছেন। তাঁর যে দেরি হয়েছিল তা স্বীকার করে নিয়েছিলেন। তবে সেই ম্যাচে তাঁকে না খেলানোর কারণ এটা মনে করেন না। সাকিব আল হাসানের দাবিকেও নস্যাৎ করেছেন তাসকিন।

বাংলাদেশের আজকের পত্রিকায় তাসকিন বলেছেন, ‘আমার একটু দেরি হয়েছিল। তবে টসের ৩০-৪০ মিনিট আগেই আমি পৌঁছে গিয়েছিলাম। টিম বাস ছেড়েছিল সকাল ৮.৩৫ নাগাদ। সেটা আমি মিস করেছিলাম। কয়েকমিনিটের মধ্যেই রওনা হই। আমি প্রায় টিম বাসের পরেই মাঠে পৌঁছেছি। সুতরাং, দেরিতে পৌঁছনোর কারণে একাদশে রাখা হয়নি, এটা কারণ হতে পারে না। আমাকে খেলানোর কথা ছিল না।’